http://igeneration.com.bd/wp-content/uploads/2021/05/the-story-of-a-Palestinian-family-who-lost-their-family-while-eating.jpg

খেতে বসে পরিবার হারানো এক ফিলিস্তিনি পরিবারের গল্প

সারা বিশ্ব

অন্যদিনের মতোই নিজ বাড়িতে খেতে বসেছিলেন ৩৩ বছরের ইয়াদ সালেহ। ১৪ বছর ধরে হুইলচেয়ারে চলাফেরা করেন তিনি। একটু পরেই খাবার শুরু করবেন তিনি। কিন্তু তার আগেই দখলদার ইসরাইলি বাহিনীর ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাতে লন্ডভন্ড হয়ে যায় সবকিছু। অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রী, তিন বছরের কন্যা ও ভাইয়ের সঙ্গে প্রাণ যায় ইয়াদ সালেহরও। খেতে বসে পরিবার হারানো এক ফিলিস্তিনি পরিবারের গল্প।

বুধবার দুপুরে হুইলচেয়ারে বসে ইয়াদ সালেহ মধ্যাহ্নভোজের অপেক্ষা করছিলেন, আর কয়েকঘন্টা পরেই তার পুরো পরিবারের খোঁজ পাওয়া গেল লাশের মর্গে। আল জাজিরার খবরে বলা হয়, বিস্ফোরণের পর ইয়াদ সালেহর লিভিং রুমের সবকিছু ভেঙেচুরে যায়। ধ্বংসস্তূপের মধ্যে পড়েছিল ছোট্ট মেয়েটির দুমড়েমুচড়ে যাওয়া লাল রঙের খেলনা সাইকেল। মধ্যাহ্নভোজের জন্য ফ্রিজ থেকে খাবার বের করছিলেন পরিবারের সদস্যরা। ভেঙে গেছে সেই ফ্রিজটিও। ভেঙে টুকরা টুকরা হয়ে গেছে টমেটো ভরা বাটিটি।

ইয়াদ সালেহর ভাই ওমর সালেহ (৩১) জানান, তার ভাই ১৪ বছর ধরে হাঁটতে পারতেন না। তিনি কোনো যুদ্ধ বা সংঘর্ষের সঙ্গে যুক্ত নন। একবুক ব্যথা নিয়ে তাই ওমর সালেহ’র জিজ্ঞাসা, ‘আমার ভাই কী করেছিল? তিনি তো হুইলচেয়ারে বসা। আমার ভাইয়ের মেয়ে কী করেছে? তার স্ত্রী কী করেছে। তারা তো মধ্যাহ্নভোজের আয়োজন করছিল।’

গাজার উপস্বাস্থ্যমন্ত্রী ইউসুফ আবু আল রশিদ বলেন, ঘরের মধ্যে নির্দোষ ব্যক্তিদের হত্যা করা বড় অপরাধ। আর কত মৃত্যু হলে বিশ্বের বিবেক জেগে উঠবে?

Tagged