Http://igeneration. Com. Bd/wp-content/uploads/2021/02/তুবাকে-কারণে-অকারণে-তামিমার-মা-মারধর-করতেন. Jpg

তুবাকে কারণে-অকারণে তামিমার মা মারধর করতেন

ভাইরাল

নাতনি রাসদিয়া হাসান তুবাকে কারণে-অকারণে বিমানবালা তামিমা তাম্মির মা মারধর করতেন বলে তুবা নিজেই অভিযোগ করেছে। আর এ কারণে সে নানিবাড়ি থেকে দাদি বাড়িতে চলে যায়।

শুধু তাই নয়, তুবার খোঁজখবর নেওয়ার ব্যাপারে যে দাবি তামিমা করেছেন তাও নাকচ করে দিয়েছে আট বছন বয়সি এই শিশু।

তুবা বলেছে, ‘মা কখনই আমার তেমন একটা খোঁজখবর নিত না। মায়ের বিয়ের খবর টিভিতে দেখেছি। এ ছাড়া বাবার বিরুদ্ধে আমাকে তুলে নেওয়ার যে অভিযোগ মা করেছে তাও মিথ্যা।

মা তামিমা ও নানি সম্পর্কে তুবা জানায়, নানি তাকে মারধর করত। নানি বাবাকেও দেখতে পারত না। কারণে-অকারণে আমাকে চড়থাপ্পড় দিত। নানি আমাকে সারাক্ষণ ধমকের ওপর রাখত।

এদিক-ওদিক হলেই রাগারাগি-গালাগালি করত। সে কারণেই আমি স্বেচ্ছায় বাবার সঙ্গে দাদির কাছে চলে আসি। বাবা আমাকে অনেক ভালোবাসে। মা আমাকে কখনই তেমন একটা ভালোবাসত না। আদরও করত না।

সে আরও জানায়, বেশিরভাগ সময়ই মা বাসার বাইরে থাকত। নিজে থেকে কখনও আমায় ফোন দিত না। আমি ফোন দিলে ব্যস্ত আছি বা প্লেনে আছি বলে লাইন কেটে দিত। বাবা, দাদি, দাদা, চাচ্চু আমায় অনেক ভালোবাসে।

কান্নাজড়িত কণ্ঠে তুবা বলে, ‘মা এখন আর আমায় ফোন দেয় না। আমার সাথে কথাও বলে না। মা অনেক পচা হয়ে গেছে। সে আরেকজনকে বিয়ে করেছে। আপনারা আমার মাকে এনে দিন। আমি মা আর বাবাকে নিয়ে সবাই এক সাথে থাকব।’

রাকিবের মা সালমা সুলতানা বলেন, ‘১০-১২ বছর আগে রাকিবের সঙ্গে বিয়ে হয় তামিমার। প্রেম করে বিয়ে করায় প্রথমে আমরা মেনে নিইনি। পরে তুবার জন্ম হলে সম্পর্ক স্বাভাবিক হয়।

শুরু থেকেই তামিমার আচরণ কিংবা স্বভাব কোনোটাই ভালো ছিল না।  তুবাকে কারণে-অকারণে তবু আমার ছেলে আর নাতির মুখ চেয়ে কখনই কিছু বলিনি। তবে রাকিবের বউ থাকাবস্থায় সে আরেকটা বিয়ে করবে সেটি আমাদের কল্পনাতেও ছিল না।

তিনি আরও বলেন, তুবাই প্রথম টেলিভিশনে দেখে আমার কাছে এসে গলা জড়িয়ে ধরে কান্নায় ভেঙে পড়ে, আর বলে যে, মা আবার বিয়ে করেছে। গত ২৬ আগস্ট ছিল তুবার জন্মদিন।

সেদিন আমরা কেক কেটেছি, তুবা অনুষ্ঠানে নাচ করেছে। ভিডিওকলে তামিমাকে সব দেখিয়েছি আমরা। সে-ও আনন্দ পাওয়ার ভান করেছে সেদিন। কিন্তু তখনও ঘূর্ণাক্ষরেও বুঝতে পারিনি যে সে এ রকম একটা কিছু করবে।

সালমা সুলতানা বলেন, তামিমা নিজে থেকে ফোন করে কখনই তুবার খোঁজখবর নিত না। তুবা মাকে ফোন করে কথা বলতে চাইলেও নানা ব্যস্ততার অজুহাত দেখিয়ে লাইন কেটে দিত।

মায়ের বিয়ের খবর টিভিতে দেখে মেয়েটা যে কত কষ্ট পেয়েছে তা বলে বোঝাতে পারব না। সারা দিন মনমরা হয়ে বসে থাকে। কারও সঙ্গে তেমন একটা কথাও বলে না। বাড়ির একটি মাদ্রাসায় পড়াশোনা করে তুবা। বন্ধুদের সঙ্গেও সে এখন আর খেলতে যায় না।