Nnb 1615889156

‘ভয়েস কন্ট্রোল’ হুইলচেয়ার উদ্ভাবন করল রুয়েট

প্রযুক্তি

ভয়েস কমান্ড নেবে হুইলচেয়ার। দরকার পড়লে মেডিকেল বেডেও রূপান্তর করা যাবে। এমনই একটি হুইলচেয়ার উদ্ভাবন করেছেন রাজশাহী প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (রুয়েট) একদল গবেষক। কম খরচের এই হুইলচেয়ারটি দেশের প্রথম স্মার্ট হুইলচেয়ার বলে দাবি করছেন তারা।

বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন ও রুয়েটের অর্থায়নে গত বছরের আগস্টে শুরু হওয়া এই প্রকল্পটি শেষ হয়েছে এ বছরের মার্চে। বিষয়টি জানিয়েছেন গবেষক দলপ্রধান ও বিশ্ববিদ্যালয়ের ইলেক্ট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেক্ট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের অধ্যাপক ড. মাসুদ রানা। রুয়েট গবেষণা ও সম্প্রসারণ দপ্তরের অধীনে পরিচালিত এ গবেষণা প্রকল্পটির পরিচালক ছিলেন তিনি।

অধ্যাপক মাসুদ রানার সঙ্গে গবেষণায় যুক্ত ছিলেন শিক্ষার্থী ইলেক্ট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেক্ট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং এমএসসি শিক্ষার্থী সাদমান মাহমুদ খান এবং ম্যাকাট্রোনিকস বিভাগের তৃতীয়বর্ষের শিক্ষার্থী ওয়াসিফ আহমেদ।

অধ্যাপক মাসুদ রানা জানান, দেশের প্রথম এই স্মার্ট হুইলচেয়ারটি মাত্র ৪০ হাজার টাকায় বাজারজাত করা সম্ভব। তাতে অনেকের ক্রয়ক্ষমতার মধ্যে থাকবে। চেয়ারটি ভয়েস কন্ট্রোল। যে কারণে প্যারালাইজড ব্যক্তিদের জন্য ব্যবহারে সমস্যা হবে না। এমনভাবে তৈরি করা হয়েছে যে, ইমার্জেন্সি মেডিকেল বেডে রূপান্তর করা সহজ এটি।

সম্প্রতি এ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন প্রকল্প পরিচালক ও রুয়েটের ইলেক্ট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেক্ট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের অধ্যাপক ড. মাসুদ রানা। এছাড়া গবেষণায় ছিলেন ইলেক্ট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেক্ট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং এমএসসি শিক্ষার্থী সাদমান মাহমুদ খান এবং ম্যাকাট্রোনিকস বিভাগের তৃতীয়বর্ষের শিক্ষার্থী ওয়াসিফ আহমেদ।

গবেষক দলের প্রধান ড. মাসুদ জানান, মাত্র ৪০ হাজার টাকায় বাজারজাত করা সম্ভব দেশের প্রথম উদ্ভাবিত স্মার্ট হুইলচেয়ারটি। ফলে তা থাকবে অনেকের ক্রয় ক্ষমতার মধ্যে। আর ভয়েস কন্ট্রোল হওয়ায় প্যারালাইজড ব্যক্তিরাও সহজেই ব্যবহার করতে পারবেন। এছাড়াও থাকছে ইমার্জেন্সি মেডিকেল বেডে রুপান্তর করার সুযোগ।

তিনি আরও জানান, তার টিম চেষ্টা করছেন ইইজি প্রযুক্তি ব্যবহার করে ব্রেইন ওয়েভ চেয়ারটিকে নিয়ন্ত্রিত করতে। ফলে সেটি সহজেই নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব হবে মস্তিস্কের সাহায্যে। আর ব্যবহারে হবে আরও সহজ। ইতোমধ্যে চেয়ারটির পেটেন্টের জন্য আবেদন করা হয়েছে বলেও জানান ড. মাসুদ।