মহাজগতের ১০ টি ডায়মেনশন জেনে নিন!

প্রযুক্তি বিজ্ঞান সারা বিশ্ব

মহাজগতে সাধারণত ১০ টি ডায়মেনশন আছে বলে আমরা মনে করি। সেই ১০ টি ডায়মেনশন সম্পর্কে জেনে নেই।

0D: জিরো ডায়মেনশন বলতে এমন একটি অবস্থা কে বুঝানো হয়েছে যেটি আসলে একটি স্থির বিন্দু।

1D: ১ম ডায়মেনশন বলতে গেলে এটি একটি লম্বা সরলরেখা।

2D: দ্বিতীয় ডায়মেনশন একটি সমতল আকার দ্বিমাত্রিক হতে পারে।

3D: তৃতীয় ডায়মেনশন হল যার উচ্চতা, প্রস্থ এবং গভীরতা রয়েছে। সিমুলেটেড 3 ডি ওয়ার্ল্ডে 3 ডি অবজেক্ট তৈরি করে।

4D: চতুর্থ ডায়মেনশন হল সময়। আমরা যে মহাবিশ্বে বাস করি তার সর্বাধিক নির্ভুলভাবে 4 টি পরিমাপের সাথে বর্ণনা করা যেতে পারে এবং তাই 4D। 

5D: পঞ্চম ডায়মেনশন হচ্ছে আমরা প্রতিনিয়ত সময়ের সাপেক্ষে সামনের দিকে এগিয়ে যাচ্ছি। কিন্তু পিছনে আসার কোন সুযোগ নাই। যদি পিছনে ফিরে আসতে পারতাম তাহলে সেটি হত 5D.

6D: ষষ্ঠ ডায়মেনশনে বলতে বুঝানো হচ্ছে আমরা তো সময়কে সবসময় সামনের দিকেই এগুতে দেখি কিন্তু সেটিকে ডানে বামে বা পিছনে নিতে পারব। যেমন একজন মানুষ একসঙ্গে দুটি সিদ্ধান্ত নিতে পারে কিন্তু দুটি কাজ একসঙ্গে করা সম্ভব নয় সেজন্ন সে আগে একটি কাজ করে দেখবে যদি সফল না হয় সে সময়কে ফিরিয়ে দ্বিতীয় সিদ্ধান্তে কাজ চালাবে।

7D: সপ্তম ডায়মেনশনে মনে করুন যেখানে একটি ছাত্র একবার পড়াশুনা করে প্রথমবার ডাক্তার হল আবার সে অতীতে ফিরে গিয়ে ইঞ্জিনিয়ার হল। এখন সে দুই রুপ নিয়ে দুজনের সাতে দুরকম ভাবে আচরন করতে পারবে।

8D: ৮ম ডায়মেনশনে ধারনা করা হয় একটি মানুষ জন্মের সময় দুটি রুপ নিয়ে জন্মাবে। তার দ্বিতীয় রুপ্তি থাকবে অন্য জগতে। অর্থাৎ সে ওই রুপ দিয়ে অন্য জগতের মানুষের সাথে মিলিত হবে।

9D & 10D: 8D এর মতো নয় ও দশ ডায়মেনশনেও আরও অন্যান্য প্যারালাল ওয়ার্ল্ডের সাথে আমরা যুক্ত হতে পারব।

Tagged