সুখী দাম্পত্য জীবনের গোপন রহস্য!

লাইফস্টাইল

মানুষের দাম্পত্য জীবনে ঝগড়া-বিবাদ তো থাকবেই! আবার অনেক সময়ই দু’জনের ভিন্নমতের কারণে সম্পর্কে ভারসাম্য বজায় থাকে না। আবার এই জন্য  মনোমালিন্যও লেগে থাকে। কিন্তু লড়াই করারও  বিকল্প পথ আছে। যদি আপনি অপর ব্যক্তি যা বলছে সেটা মন দিয়ে শোনেন এবং সম্মত হন তাহলে দেখা যাবে কোনো সমস্যা নেই।

তবে কেউই আমরা কারো কাছে হেরে যেত চাই না। সে হোক  জীবনসঙ্গী বা অন্য কেউ।  অনেকেই বলে ঝগড়া-বিবাদ সম্পর্কের জন্য উপকারী। ঝগড়া  আপনার সম্পর্ককে আরো  শক্তিশালী করে তোলে। এই ধারণাগুলো হয়তো  কারো কারো ক্ষেত্রে সত্যও হতে পারে তবে অনেকের জন্য  সম্পর্ক ধ্বংসের দিকে যায়। ঝগড়া সবসময় মিষ্টি হয় না। যদি না পরে এর সঠিক সমাধান হয়।

দীর্ঘস্থায়ী সম্পর্ক স্থপনের  জন্য আপনাকে সবসময় ক্ষমা করতে হবে। তবে ক্ষমা করলে  কি আসলেই মানুষ  সুখী হয়? গবেষণা বলে, ক্ষমা করা আসলেই সুস্থ সম্পর্কের গোপন রহস্য হয়ে থাকে। ক্ষমার মাধ্যমে  দোষী মানুষটা নিজেকে শুধরে নেয়ার পথ খুঁজে নেয়।

কিন্তু বহুবার আপনি একই ভুল করবেন আর আপনার সঙ্গী ক্ষমা করে দেবে বিষয়টা এমন নয়। ভুল করে যে আঘাত আপনি তাকে করেছেন তা নিরাময় হতে সময় প্রয়োজন। তারপরেও ক্ষমা করে দেয় আপনার সঙ্গী কারণ দিনশেষে ভালোবাসা জয়ী হয়।

আপনি যদি আপনার সঙ্গীর কথা ভেবে ওই ভুল আর না করেন তা হবে ক্ষমার ক্ষেত্রে ভারসাম্যহীন। আপনার সঙ্গীও ভুল করতে পারে এবং তাই, আপনারও তাকে ক্ষমা করার মানসিকতা থাকা উচিত। তবে ভুলের ক্ষেত্রে ছোট বড় আছে সেই হিসেবে প্রতিক্রিয়াও ভিন্ন ভিন্ন হবে।

যেকোনো  ভুল ক্ষমা করতে সময় লাগে। তবে যা অত্যন্ত বেদনাদায়ক হতে পারে তা হলো আপনার সঙ্গী ভুলটি সংশোধনের দিকে মনোযোগ দেয় না। প্রতিবারই যখন সে আপনাকে হতাশ করে কিন্তু আপনি তাকে ক্ষমা করে দেন, কথা বলা শুরু করেন।

প্রতিযোগিতা বাদ দিয়ে দুই পক্ষেরই উচিত একটি সুন্দর সমাধানে নিয়ে আসা। কিন্তু  যদি  যদি আপনার সঙ্গীর সঙ্গে সন্তোষজনক সিদ্ধান্তে না এসে নিজে জিততে চান তবে সম্পর্ক নষ্ট করার ক্ষেত্রে আপনি একধাপ এগিয়ে আছেন।

দম্পতি হিসেবে ছোটখাটো  ভুলগুলো ক্ষমা করা যদি আপনার বন্ধনকে শক্তিশালী করতে পারে, তবে এতে বিশ্বাস করুন। তবে ক্ষমারও মাঝেও একটি ভারসাম্য বজায় রাখতে হবে।

Tagged