003 1

যুবসমাজের প্রতি ইসলামের নির্দেশনা

ইসলাম

সৃষ্টির শুরুলগ্ন থেকে অদ্যাবধি আদর্শবান যুবসমাজ দ্বারাই পৃথিবী উপকৃত হয়েছে। তাদেরকে দ্বারা সুশৃঙ্খল হয়েছে পৃথিবীর ব্যবস্থাপনা। মানুষ নিজেদের অধিকার ফিরে পেয়েছে। তাই সামাজিক অবক্ষয় রোধে যুবসমাজের গুরুত্ব অপরিসীম। তারা সঠিক পথে থাকলে ভালো থাকবে বাংলাদেশ।

গড়ে উঠবে সুনিয়ন্ত্রিত পরিবেশ। তারা খারাপ হলে নষ্ট হয়ে যাবে সমাজের চিত্র। ভেঙে পড়বে সামাজিক শৃঙ্খল। এজন্য আগে মানুষকে পরিশুদ্ধ হতে হবে। চরিত্র ঠিক করতে হবে। আর মানুষের চরিত্র ঠিক করতে বেশিকিছুর প্রয়োজন হয় না। ভেতরের অন্তরটা ঠিক হলেই সবকিছু ঠিক হয়ে যাবে।

রসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, ‘জেনে রাখো, শরীরের মধ্যে একটি গোশতের টুকরা (মুদগাহ) আছে, তা যখন ঠিক হয়ে যায়, গোটা শরীর তখন ঠিক হয়ে যায়। আর তা যখন খারাপ হয়ে যায়, গোটা শরীর তখন খারাপ হয়ে যায়। জেনে রাখো, সে গোশতের টুকরাটি হলো কলব।’ – বুখারি, হাদিস নং ৫০।

ইসলাম শিক্ষা দেয় যে আল্লাহ দয়ালু, করুনাময়, এক ও অদ্বিতীয়। ইসলাম মানব জাতিকে সঠিক পথ দেখায়। ইসলামী বিশ্বাস অনুসারে, আদম হতে শুরু করে আল্লাহ্ প্রেরিত সকল নবী ইসলামের বাণীই প্রচার করে গেছেন।

দোষ-গুণের চিরাচরিত নিয়মে মানুষের সৃষ্টি। তাদের দ্বারা ভুল-ত্রুটি হওয়াটাই স্বাভাবিক। কোরআনে আল্লাহ ইরশাদ করেছেন, ‘অতঃপর তাতে ঢেলে দিলেন অপরাধপ্রবণতা ও তাকওয়া। অবশ্যই সফল হলো সে যে তা পবিত্র করল; আর বিপদগ্রস্ত হলো সে যে তা ছেড়ে দিল।’ – সুরা শামছ, আয়াত নং ৮-১০।

রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম জনৈক ব্যক্তিকে উপদেশ দিতে গিয়ে বলেন,
‘পাঁচটি বস্তুর পূর্বে পাঁচটি বস্তুকে গনিমত মনে কর। যথা-
(১) তোমার বার্ধক্য আসার পূর্বে যৌবনকে
(২) পীড়িত হওয়ার পূর্বে সুস্থতাকে
(৩) দরিদ্রতার পূর্বে সচ্ছলতাকে
(৪) ব্যস্ততার পূর্বে অবসরকে
(৫) মৃত্যুর পূর্বে জীবনকে’।
– তিরমিযী, হাদিস নং ৫১৭৪।