http://igeneration.com.bd/wp-content/uploads/2021/04/আয়ারল্যান্ডের-রক-স্টার-সিনিড-ওকনরের-ইসলাম-গ্রহণ.jpg

আয়ারল্যান্ডের রক স্টার সিনিড ওকনরের ইসলাম গ্রহণ

ইসলাম

প্রখ্যাত আয়ারল্যান্ডের রক স্টার সিনিড ওকনর (Sinead O’Conno) সম্প্রতি ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেছেন। ইসলাম গ্রহণের পর তিনি তার আগের নামটি পরিবর্তন করে ‘শুহাদা ডেভিট (দাউদ) (Shuhada’ Davitt) নাম ধারণ করেছেন।

গত বছর তিনি ক্যাথলিক ধর্মবিশ্বাস গ্রহণ করে নিজের নাম ‘মাগদা ডেভিট’-এ পরিবর্তন করেছিলেন। তখনই তিনি ইসলাম গ্রহণের সিদ্ধান্তে পৌঁছেন। গত ১৯ অক্টোবর এক টুইটবার্তায় তিনি ভক্তদের উদ্দেশে লেখেন,  একজন মুসলিম হতে পেরে আমি গর্বিত।

টুইটে তিনি আরো বলেন, ‘এটি যেকোন বুদ্ধিমান ধর্মতত্ত্ববিদের যাত্রার স্বাভাবিক ও নৈমিত্তিক পরিণতি। প্রত্যেকটি ধর্মীয় গ্রন্থ ইসলামের দিকে পরিচালিত করে এবং অন্য ধর্মগ্রন্থগুলোকে অকার‌্যকর ও অনাবশ্যক করে দেয়। এখন থেকে আমি নতুন নাম ধারণ করবো। আর সেটা হচ্ছে, ‘শুহাদা ডেভিট’। ’

গত ২৫ অক্টোবর আরেকটি টুইটবার্তায় শুহাদা বলেন, ‘আমার বলা উচিত যে, পবিত্র কোরআন পূর্ববর্তী ধর্মগ্রন্থগুলোকে সত্যায়িত করে। তবে সেখানে যেসব অনৈতিক পরিবর্তন-পরিবর্ধন হয়েছে, তা সমর্থন করে না। আগের ধর্মগ্রন্থগুলোতে এমন কিছু লোক পরিবর্তন এনেছে, যারা আল্লাহর আনুগত্য করে না এবং নিজেকে তার কাছে সমর্পিত করেনি। ’

ইসলাম গ্রহণের পর ৫১ বছর বয়সী এ সঙ্গীত শিল্পী নিজের প্রোফাইল পিকচার পরিবর্তন করে নিয়েছেন। সেখানে তাকে হিজাব পরিহিত ছবিতে দেখা যাচ্ছে। একটি টুইটের মাধ্যমে তিনি জানিয়েছেন, প্রথম হিজাবটি তিনি তার বান্ধবী এলেনের কাছ থেকে উপহার পেয়েছেন। এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, যখন আমি আমার গায়ে হিজাব জড়াই, তখন আমার শরীরে শীতলাবহ বয়ে যায়।

এই সপ্তাহের শুরুর দিকে ডেইলি মেইলের সঙ্গে এক বিশেষ সাক্ষাত্কারে ওকনর জানান, রোলিং স্টোনসের রনি উড, আইরিশ অভিনেতা সিলেয়ান মারফি, পিঙ্ক ফ্লয়েডের নিক মেসন এবং গায়ক ইমেল্ডা মেয়ের সঙ্গে একটি নতুন ইপি (EP) চালু করতে যাচ্ছেন। এবং ইপি বিক্রয়ের সব আয় একটি ক্যান্সার নিরাময় কেন্দ্রে দেওয়া হবে।

১৯৬০ খ্রিস্টাব্দে আয়ারল্যান্ডের গ্লেনজেরিতে জন্ম শুহাদা ডেভিটের। ব্যক্তি জীবনে তিনি চার সন্তানের মা। গানের পাশাপাশি তিনি বিভিন্ন সিনেমাতেও অভিনয় করেছেন। ১৯৮০ খ্রিস্টাব্দের শেষদিকে প্রথম অ্যালবাম ‘দ্য লায়ন অ্যান্ড দ্য কোব্রা’র মধ্য দিয়ে তিনি বেশ খ্যাতি অর্জন করেন। এছাড়াও ১৯৯০ খ্রিস্টাব্দে তিনি প্রিন্সের গান ‘নাথিং কম্পারেস টু ইউ’ দিয়ে বিশ্বব্যাপী খ্যাতি ও সাফল্য অর্জন করেন।