দূরপাল্লার বাস ট্রেন ও লঞ্চ চলবে আজ থেকে

সারা বাংলা

করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ঠেকাতে আগামী ৩০ মে মধ্যরাত পর্যন্ত চলমান ‘লকডাউনের’ মেয়াদ বাড়িয়েছে সরকার। তবে ৪৮ দিন ধরে বন্ধ থাকা দূরপাল্লার বাস, ট্রেন ও লঞ্চ আজ সোমবার থেকে চলাচলের অনুমতি দেওয়া হয়েছে। বলা হয়েছে, মাস্ক পরিধানসহ স্বাস্থ্যবিধি মেনে ধারণক্ষমতার অর্ধেক যাত্রী বহন করতে হবে।

একই সঙ্গে হোটেল-রেস্তোরাঁয় বসে খাবারের ওপরে থাকা নিষেধাজ্ঞাও তুলে নেওয়া হয়েছে; অর্থাৎ হোটেল-রেস্তোরাঁয় আসনসংখ্যার অর্ধেক সেবাগ্রহীতাকে সেবা দেওয়া যাবে। তবে প্রায় ১৪ মাস ধরে বন্ধ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান কবে খুলবে, সেই বিষয়ে এখনো কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি। জরুরি প্রয়োজনের বাইরে থাকা সরকারি অফিস, পর্যটন স্পট, কমিউনিটি সেন্টারসহ গণসমাবেশ হওয়ার মতো স্থানগুলো আপাতত বন্ধই থাকছে। বন্ধ থাকছে ভারতীয় সীমান্তও।

দীর্ঘ ৪৯ দিন পর রাজধানী থেকে সারা দেশে দূরপাল্লার বাস, লঞ্চ ও ট্রেন চলাচল শুরু হয়েছে। আজ সকাল থেকে সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী স্বাস্থ্যবিধি মেনে অর্ধেক যাত্রী নিয়ে দূরপাল্লার এসব গণপরিবহন চলাচল শুরু হয়। ট্রেনের ভাড়া না বাড়লেও লঞ্চ ও বাসযাত্রীদের গুনতে হচ্ছে ৬০ শতাংশ বেশি ভাড়া।

দূরপাল্লায় বাস চলাচল শুরু হওয়ায় রাজধানীর বাস টার্মিনালে ফের কর্মচাঞ্চল্য শুরু হয়েছে। বাসে টিকিট বিক্রি হচ্ছে এক আসন ফাঁকা রেখে। দূরপাল্লার এসব গণপরিবহন চলাচল শুরু হওয়ায় যাত্রীদের মধ্যে স্বস্তি ফিরে এসেছে।

এদিকে ২৮ জোড়া আন্তঃনগর ট্রেন দিয়ে শুরু হচ্ছে রেল চলাচল। ট্রেনের ভাড়া না বাড়লেও এক আসন ফাঁকা রেখেই বসবে যাত্রী। ৫০ শতাংশ টিকিটের পুরোটাই বিক্রি হবে অনলাইনে, বন্ধ থাকবে কাউন্টার। লঞ্চে যাত্রী বহনে স্বাস্থ্যবিধি নিশ্চিতে তৎপর থাকার কথা জানিয়েছে বিআইডব্লিউটিএ।

Tagged