http://igeneration.com.bd/wp-content/uploads/2021/05/ronnie-is-responsible-for-my-death-schoolgirl-suicide-by-writing-notes.jpg

আমার মৃত্যুর জন্য রনি দায়ী, চিরকুট লিখে স্কুল ছাত্রীর আত্মহত্যা

সারা বাংলা

ময়মনসিংহের তারাকান্দায় প্রেম করে বিয়ে না করায় আমার মৃত্যুর জন্য রনি দায়ী, সে আমাকে স্ত্রীর মতো ব্যবহার করছে। চিরকুট লিখে বিষপানে আত্মহত্যা করেছে মিনারা আক্তার (১৫) নাম এক স্কুল ছাত্রী। এ ঘটনার পর থেকেই পালিয়েছে প্রেমিক রনি (২০)।

মিনারা উপজেলার বানিহালা ইউনিয়নের নলদিঘী গ্রামের মকবুল হোসেনের মেয়ে। সে স্থানীয় লাউটিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণির ছাত্রী। প্রেমিক রনি পার্শ্ববর্তী গালাগাঁও ইউনিয়নের বালিজানা গ্রামের মোঃ রফিকুল ইসলামের ছেলে।

সোমবার (১৭ মে) দুপুরে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন তারকান্দা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবুল খায়ের। এর আগে রবিবার দুপুরে মুমূর্ষু অবস্থায় ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল নিলে মারা যায় মিনারা। এ ঘটনায় রাতেই মিনারার ভাই রেজাউল বাদী হয়ে ওই প্রেমিকসহ চাচার বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছেন।

মামলার বরাত দিয়ে ওসি বলেন, শনিবার (১৫ মে) রাত সাড়ে ৮ টার দিকে প্রেমিক রনি গোপনে প্রেমিকা মিনারার বাড়িতে তার সাথে দেখা করতে আসে। তখন বাড়ির লোকজন প্রেমিক রনিকে ঘরের ভেতর আটক করে। গ্রাম্য সালিশ দরবারে রনির সাথে মিনারার বিয়ে না দিয়ে রনিকে ছেড়ে দেওয়া হয়। পরদিন রবিবার সকালে মিনারা প্রেমিক রনির বাড়ীতে বিয়ের দাবীতে যায়। তার এই বিয়ের প্রস্তাবে প্রেমিক রনি সারা না দেওয়ায় বিষপান করে গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়ে।

এমতাবস্থায় প্রেমিক রনির কয়েকজন স্বজন মিনারাকে তারাকান্দা-ধোবাউড়া সড়কের পাশে বালিজানা নয়াপড়া ব্রীজের নিচে রেখে যায়। পরে মিনারাকে স্থানীয়রা উদ্ধার করে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

তিনি আরও বলেন, স্কুলছাত্রী মিনারার বড় ভাই রেজাউল রবিবার রাতে প্রেমিক রনি ও তার প্রতিবেশী চাচা মজিবুরের নামে মামলা দায়ের করেছেন। লাশ এখনো ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে আছে। মিনারার পরনের জামা থেকে একটি চিরকুট উদ্ধার করা হয়েছে। সেখানে লেখা আছে আমার মৃত্যুর জন্য রনি দায়ী, সে আমাকে স্ত্রীর মতো ব্যবহার করছে।

Tagged