আসলাম ও তার মায়ের জন্য ঈদের পোশাক কিনে দিলেন ইউএনও

সারা বাংলা

সেই আসলামের পাশে দাড়িয়েছেন গুরুদাসপুরের ইউএনও মো. তমাল হোসেন। মঙ্গলবার “এখনও মায়ের শাড়ি কিনতে পারেনি আসলাম” এই শিরোনামে ডেইলি বাংলাদেশ অনলাইনে একটি সংবাদ প্রকাশ হয়। সেই সংবাদ নজরে আসে গুরুদাসপুরের ইউএনও তমাল হোসেনের। পরে সংবাদ দেখার পর পরই সেই আসলাম ও তার মাকে ডেকে ঈদের পোশাক ও ঈদ সামগ্রী আসলামের হাতে তুলে দেন ইউএনও।

নাটোরের গুরুদাসপুর উপজেলার চাপিলা ইউপির আলিপুর গ্রামে তার বসবাস। ওই এলাকার হাসেম হোসেনের ছেলে আসলাম। ১০ বছর বয়সী আসলাম হোসেন পেশায় এখন ভ্যান চালক। বাবার মৃত্যুর পর রেখে যাওয়া শেষ সম্বল ভ্যান চালিয়ে জীবন-জিবীকা নির্বাহ করছে আসলাম। নিজের ও মায়ের জন্য ঈদের কেনাকাটা করার লক্ষ্য বিভিন্ন জায়গায় ভ্যানে যাত্রী নিয়ে ছুটেছে।

মঙ্গলবার দুপুরে আলিপুর এলাকায় দেখা মেলে যায় আসলামের। কথা বলার একপর্যায় আসলাম বললো তার বর্তমান জীবনের গল্প। মাস খানেক আগে তার বাবা অসুস্থজনিত কারণে মারা যান। সংসারে ছিলো বড় বোন ও মা। বাবার মৃত্যুর কয়েকদিন আগেই বড় বোনের বিয়ে হয়ে যায়। এখন মাকে নিয়েই তার সংসার। প্রতিদিন ভ্যান চালিয়ে আয় করে-১০০-১৫০ টাকা। সে টাকা দিয়ে সংসার চলে যায়।

তবে আর দুদিন পর ঈদ। ঈদে নিজের জন্য ও মায়ের জন্য কেনাকাটা করার জন্য চালিয়ে যাচ্ছে কঠোর পরিশ্রম। বাজার থেকে যাত্রি নিয়ে বিশ্রাম না নিয়েই আবার ছুটছেন ভাড়ার আশায়। কারন তার মায়ের জন্য শাড়ি কিনতে হবে। আসলাম আরো জানায়, বাবা বেঁচে থাকতে সে স্কুলে যেতো। পড়াশোনা করতো।

              ফ্রি কুইজে অংশগ্রহণ করে জিতে নিন ৫০ হাজার টাকা পর্যন্ত পুরস্কার

কিন্তু বাবার মৃত্যুর পর এখন সংসারের বোঝা তার উপর। তাই সংসার চালানোর তাগিতে ভ্যান চালিয়ে জীবন-জীবিকার নির্বাহ করছে। আসলামকে নিয়ে প্রকাশিত সংবাদটি অনেকেরই নজরে আসে। আর এতেই এগিয়ে আসেন অনেকে।

Tagged