http://igeneration.com.bd/wp-content/uploads/2021/04/আত্মহত্যায়-প্ররোচনার-অভিযোগে-বসুন্ধরার-ব্যবস্থাপনা-পরিচালকের-বিরুদ্ধে-মামলা.jpg

আত্মহত্যায় প্ররোচনার অভিযোগে বসুন্ধরার এমডি বিরুদ্ধে মামলা

সারা বাংলা

ঢাকায় পুলিশ জানিয়েছে যে গুলশান এলাকায় একজন তরুণীর মৃত্যুর ঘটনায় বাংলাদেশের শীর্ষস্থানীয় ব্যবসায়ী গোষ্ঠী বসুন্ধরার ব্যবস্থাপনা পরিচালকের বিরুদ্ধে আত্মহত্যায় প্ররোচনার অভিযোগে মামলা নথিভূক্ত করা হয়েছে।

মৃত তরুণীর বোন গুলশান থানায় মঙ্গলবার ভোরে আত্মহত্যায় প্ররোচনার একটি মামলা দায়ের করেছেন, যেখানে সায়েম সোবহান আনভীরকে অভিযুক্ত করা হয়েছে। মি. আনভীর বসুন্ধরা গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক।

তবে এ নিয়ে বক্তব্যের জন্য বিবিসি বাংলার তরফ থেকে মি. আনভীর এবং বসুন্ধরা গ্রুপের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলেও তাদের তরফ থেকে কোন মন্তব্য পাওয়া যায়নি। এ ঘটনা নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা চলছে।

কী হয়েছিল

নিহত তরুণী একজন কলেজ ছাত্রী ছিল বলে পুলিশ জানিয়েছে। ঢাকার অভিজাত এলাকা গুলশানের একটি অ্যাপার্টমেন্ট ভাড়া নিয়ে তিনি একাই থাকছিলেন।

পুলিশ জানিয়েছে, সোমবার সন্ধ্যায় ওই তরুণীর বোন কুমিল্লা থেকে ঢাকায় এসে গুলশানের বাসাটিতে ঢুকে বোনের মৃতদেহ দেখতে পেয়ে পুলিশে খবর দেন। গুলশান জোনের অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার নাজমুল হাসান ফিরোজ বিবিসিকে বলেন, রাতেই পুলিশ ওই বাসায় গিয়ে দেখতে পায় যে মৃতদেহ সিলিং ফ্যানের সাথে ঝুলন্ত অবস্থায় রয়েছে।

প্রাথমিকভাবে পুলিশ এটিকে আত্মহত্যা বলে ধারণা করছে। তবে মৃতদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। রাতে মেয়েটির বড়বোন গুলশান থানায় যে মামলা দায়ের করেন, তাতে আত্মহত্যায় প্ররোচনা দেওয়ার অভিযোগ আনা হয়েছে।

পুলিশ কর্মকর্তা মি. হাসান বলছেন, মামলার এজাহারে অভিযোগ করা হয়েছে যে ওই তরুণীর সাথে মি. আনভীরের দুই বছর যাবৎ সম্পর্ক ছিল। বিষয়টি নিয়ে বিবিসির তরফ থেকে বসুন্ধরা গ্রুপের প্রেস অ্যান্ড মিডিয়া উপদেষ্টা আবু তৈয়বের সঙ্গে যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হয়, কিন্তু তিনি ফোন ধরেননি।

বসুন্ধরা গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মি. আনভীরের ব্যক্তিগত মোবাইল ফোনটিও সকাল থেকে বন্ধ পাওয়া যাচ্ছে। তবে তার ব্যক্তিগত কর্মকর্তা গোলাম মোহাম্মদের সঙ্গে কথা হয়েছে। তিনি জানান যে তার বিষয়ে ওঠা অভিযোগ সম্পর্কে মন্তব্য করতে মি. আনভীরকে পাওয়া যাবে না। মি. মোহাম্মদ বলেন, “হি ইজ আনঅ্যাভেইলেবল।”

সুত্রঃ বিবিসি বাংলা