http://igeneration.com.bd/wp-content/uploads/2021/04/রিকশা-ফেরত-পাওয়ার-আশায়-আনিস-শেখরা....jpg

রিকশা ফেরত পাওয়ার আশায় আনিস শেখরা…

সারা বাংলা

ফুটপাতে বসেই কথা হচ্ছিল আনিস ও ওবায়দুলের সঙ্গে। সদর উপজেলার খাজানগর এলাকার বাসিন্দা আনিস জানালেন, সংসারে স্ত্রী, দুই ছেলে আছে। সকাল নয়টায় রিকশা নিয়ে বের হয়েছিলেন। ৯০ টাকা আয়ও হয়েছিল। সাড়ে ১১টার দিকে থানা মোড় থেকে পুলিশ তাঁর রিকশা জব্দ করে থানায় নেয়।

ওবায়দুল শেখ বললেন, তাঁর পরিবারে একমাত্র ছোট ভাই ও মা ছাড়া আর কেউ নেই। বাড়িতে একটি গরুও পালন করেন তিনি। একই সময়ে তাঁরও রিকশা জব্দ করে থানায় নেয় পুলিশ। এর আগে মাত্র ৪০ টাকা আয় করেছেন। বাড়িতে ফোন করে জানান যে তাঁর রিকশা জব্দ হয়েছে।

সন্ধ্যা ছয়টার দিকে থানায় গিয়ে দেখা যায়, ৩০ থেকে ৩৫ জন রিকশাচালক গোলচত্বরে এদিক–সেদিক বসে আছেন। তাঁদের অনেকের বয়স ৫০ থেকে ৬০ বছর। কেউ জানতে পারছেন না, ইফতারের আগে তাঁদের রিকশাগুলো ছাড়া হবে কি না।
থানার ভেতর থেকে ফিরে এলে কথা হয় আরেক রিকশাচালক মোহাম্মদ রাব্বীর সঙ্গে।

তাঁর বাড়ি শহরের কালিশংকরপুর এলাকায়। রাব্বী বললেন, ছয় ঘণ্টা ধরে বসে আছেন। তাঁদের তো শাস্তি হয়েই গেছে। অপরাধ মেনেও নিয়েছেন। আজ প্রথম রোজা। যদি ইফতারের আগে ছেড়ে দিত, তাহলে মায়ের সঙ্গে ইফতার করতে পারতেন।