http://igeneration.com.bd/wp-content/uploads/2021/04/মেডিকেলে-ভর্তির-সুযোগ-পেলেও-বড়-বাধা-হয়ে-দাঁড়িয়েছে-অর্থ.jpg

মেডিকেলে ভর্তির সুযোগ পেলেও বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে অর্থ!

সারা বাংলা

মেধার জোরে সব বাধা পেরিয়ে চান্স পেয়েছেন মেডিকেলে পড়ার। কিন্তু স্বপ্নপূরণে এখন সবচেয়ে বড় বাধা টাকা। মেডিকেলে ভর্তি ও লেখাপড়ার খরচ দেয়ার সামর্থ্য নেই হতদরিদ্র কৃষক বাবার। এত টাকা কোথা থেকে আসবে সে চিন্তাই ঘিরে ধরেছে মেধাবী এ শিক্ষার্থী ও গোটা পরিবারের।

অদম্য মেধাবী শিক্ষার্থীর নাম সামিউল ইসলাম। তিনি ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষের এমবিবিএস কোর্সের প্রথম বর্ষের ভর্তি পরীক্ষায় মেধাক্রমে ২৭০০তম হয়ে বগুড়ার শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজে ভর্তির সুযোগ পেয়েছেন।

সামিউলের বাড়ি জেলার শিবগঞ্জ উপজেলার গাংগইট গ্রামে। তার বাবার নাম মো. সানোয়ার হোসেন। ভর্তি পরীক্ষায় ১০০ নম্বরের মধ্যে তিনি পেয়েছেন ৭০.৫ নম্বর। নিজের চেষ্টা ও প্রিয় শিক্ষক শাহ আলমসহ অনেকের সহযোগিতায় সারা জীবন পড়ালেখা করেছেন। শিক্ষা জীবনজুড়েই আর্থিক সংকট ছিল নিত্যসঙ্গী। এখন মেডিকেলে সুযোগ পেয়েও টাকার অভাবে ভর্তি হওয়া নিয়ে অনিশ্চয়তায় পড়েছেন।

সামিউলের বাবা বলেন, আমি অন্যের জমিতে কাজ করি। এতে দিনে ২০০-৩০০ টাকা আয় আমার। খুব কষ্টে চলে সংসার। আর এ টাকায় ছেলের মেডিকেলে লেখাপড়ার খরচ চালানো আমার কাছে দুঃস্বপ্ন। তবে স্বপ্ন দেখি আমার ছেলে ভালো চিকিৎসক হবে।

কথা হয় সামিউলের সঙ্গে। তিনি বলেন, মেডিকেলে চান্স পেয়েও এখন খুব চিন্তা হচ্ছে। মেডিকেলের বইয়ের দাম বেশি। বগুড়া মেডিকেলে পড়াশোনা করতে অনেক খরচ হবে। এত টাকা আমার হতদরিদ্র বাবা কোথায় পাবেন। কীভাবে লেখাপড়ার খরচ চালাবো বুঝতে পারছি না। আমার বাবার পক্ষে সেই খরচ চালানো সম্ভব নয়। তবে সবাই দোয়া করবেন আমি যেন একজন ডাক্তার হয়ে দেশের সেবা করতে পারি।